Friday, 30 January 2015





ভারতের নারী

জাগছে জাগবে,
ন্যায়ের অস্ত্র ধরে,
ভারতের নারী এবার জাগবে

খল নায়কের ফাঁদে,
পড়বে না আজ ওরা,
অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে

কলির দুঃশাসন,
করিছে বস্ত্রহরণ,
দিকে দিকে শুনি মা-বোনেদের কান্না

অন্ধকারের বুকে,
লজ্জায় মুখ ঢেকে,
লুকিয়ে রেখে অনেক ব্যথা আর বেদনা

ভারতের নারী আর তুমি কাঁদো না
দিকে দিকে শুনি মা-বোনেদের কান্না

মুছে ফেল আঁখি জল,
দেখাও তব শক্তিবল,
শৌর্যে বীর্যে নারী নহে হীন,

দিগন্তে লাল সূর্য ঐ,
দিয়ে অভয় কয় মাভৈঃ
দেখো ওই আসিছে সুদিন

কর তীব্র প্রতিবাদ,
মিটাইতে রণসাধ,
বাজাও দুন্দুভি রণভেরী

সংগ্রাম সমরে,
ন্যায়ের অস্ত্র ধরে,
জেগে ওঠ ভারতের নারী























Sunday, 4 January 2015

স্বচ্ছ ভারত সবুজ অভিযান

স্বচ্ছ ভারত সবুজ অভিযান
দিকে দিকে তার আহ্বান,
ভারত আবার দিচ্ছে ডাক,
ময়লা, আবর্জনা দূরে যাক


একজাতি একপ্রাণ একতা
জেগে ওঠো ভারতের জনতা
স্বচ্ছ ভারত, নির্মল ভারত
দেশ ও জাতির মুক্তির পথ


স্বচ্ছ ভারত, সবুজ অভিযান,
বাড়ায় দেশ ও জাতির মান
দেশ ও জাতির পবিত্র শপথ,
স্বচ্ছ ভারত ও নির্মল ভারত


করবো আমরা দেশের কাজ
গড়বো আমরা নতুন সমাজ
দূরে নয় সবাই এসো কাছে,
ভারতে এবার সুদিন আসছে



















Saturday, 3 January 2015

পুজোর দিনে

কালো মেঘ আর যায় না দেখা
বর্ষা নিয়েছে আজি বিদায়
সাদা মেঘের আনাগোনা চলে
নীল আকাশের আঙিনায়

গাছে গাছে ফোটে শিউলি, করবী
টগর ফুল রাশি রাশি,
গাঁয়ের মেঠো পথে মেঠো
সুরে বাজে বাঁশের বাঁশি

ঢাকের শব্দে মেতে ওঠে গ্রাম
বাতাসে পূজো-পূজো গন্ধ
মন মাতানো বাঁশির সুরে
প্রাণে জাগে খুশির আনন্দ

মাঝিরা সব মাদল বাজায়
দূরে বাজে পূজোর সানাই
পূজোর দিন এগিয়ে আসে
পূজোর বাজার করা চাই

কচি কচি ধানের খেতে
মেঠো সোনালী রোদ হাসে,
ঢাকের শব্দে মেদিনী কাঁপে
দোলায় চড়ে মা দুর্গা আসে









কবিতা ও ভালবাসা

আমি ভালবাসি, তোমায় বড় ভালবাসি,
শুধু ভালবাসি নয়, দারুণভাবে ভালবাসি।
আর তাই, তোমার জন্যে লিখলাম এই কবিতা।

কবিতা, তুমি একটা ফুল হও,
চারদিকে রাক্ষুসে ক্যাকটাসগুলোকে ম্লান করে
কবির হৃদয়ে গোলাপ ফুল হয়ে ফুটে ওঠো।
এখানে নয় কবিতা, এখানে বড় চিৎকার,
কর্কশকণ্ঠে শয়তানির চক্রান্ত আর
জরাজীর্ণ কংকালের দল শ্মশানভূমিতে
এখানে রাতের অন্ধকারে চলাফেরা করে।
কবিতা, তুমি বরং
একটা নতুন সকালের খোঁজ করো,
যেখানে মেঘ আড়াল করে না সূর্যকে,
তোমাকে ভালবেসে আজ আমি
নতুন সকালের নকল সূর্যোদয় দেখলাম।

কবিতা, তোমার অবর্ণনীয় রূপ, রং আর
বর্ণময় রূপের শোভা আমার
মনের গভীরে ভালবাসার রং ছড়ায়।
তোমার ভাসা ভাসা দুটি নীল চোখ,
আমার হৃদয়ে ভালবাসার গান গায়।
তোমার সুঠাম দেহের ভাঁজে ভাঁজে
লুকিয়ে থাকা প্রেম আমায় ডাকে ইশারায়।
তোমার ওষ্ঠে রাঙা হাসির রেখা
আমার হৃদয় আর মনে রং লাগায়।
আমার মন আজি তুমি কোথায়
তুমি কোথায় বলে ডেকে যায়।
ভালবাসার পাখনা মেলে উড়ে যায়।
এখানে নয় প্রিয়া, এখানে নয়,
তুমি আমি আজ, হারিয়ে যাব
অজানা স্রোতের টানে ভেসে যাব,
ভালবাসা দিয়ে শুধু হৃদয় বিনিময়।
এখানে নির্জন, বাতাসে শিহরণ!
দুটি হৃদয় আর দুটি অবুঝ মন,
মিলে যায়, মিশে যায়, এক হয়।
তারপর কালের স্রোতে হয়তো
একদিন কবিতা হারিয়ে যায় ...
শুধু ভালবাসা বেঁচে রয়,
কবির হৃদয়ে, বাহিরে নয়,
হৃদয়ের গভীরে, আরো গভীরে
কবিতার ফুল হয়ে নাহিক সংশয়।


Wednesday, 31 December 2014

           আঁধার কথা বলে

বাঁশবাগানের পাতার ফাঁকে, সোনার রবি উঠিছে
তারই আলোয় ঝলমলিয়ে, বিশ্বভুবন হাসিছে
টেবিলে রাখা সংবাদপত্র, গরম চায়ের কাপ,
ঘড়ির কাঁটা ঘড়িতে বাঁধা, সময় যে চুপচাপ

পসরা মাথায় চলেছে সবাই, রবিবারের হাটে,
সাদা বলাকা উড়ায় পাখা, শূণ্য নির্জন মাঠে
ছায়া সুনিবিড়, প্রাচীন বট এক, গাঁয়ের সীমানায়,
তাহারি শাখায়, সুখে নীড় বাঁধি, পাখিরা গান গায়

চিল ফুকারে, আকাশ পারে, মাঠে মাঠে সোনা ধান,
মেঠো পথে একতারা হাতে, বেণী বাউল গায় গান
গরুর গাড়ি উড়ায় ধূলো, গাঁয়ের রাঙা মাটির পথে,
রাখাল বাজায় রাখালিয়া সুর, বাঁশি লয়ে নিজ হাতে

মাটির কুটিরে কাঠের ধোঁয়া, ঘুরে ফিরে পাড়াময়

দিনের শেষে সূর্য লুকায়, সাঁঝের আঁধার কথা কয়


      শীতের রাতি জাগে

খোলা আকাশ মাথার উপর, পায়ের নীচে মাটি
তারই পরে সোনালি রোদ, সেজেছে পারিপাটি
পূবের আকাশে সূর্যটা দেখি, লাল হয়ে উঠে,
দিঘির জলে পদ্ম শালুক, উঠেছে কত ফুটে
আকাশ জুড়ে  সুরের মেলা, পাখিরা গায় গীত
উত্তরে হিমেল হাওয়া বয়, এলো আজ শীত
শীতের চাদর জড়িয়ে গায়ে, নেমে আসে কুয়াশা,
আকাশ বাতাস, মাটি ও গাছ, দেখায় সবই ধোঁয়াশা
গরম চায়ের কাপে, চুমুক দিতে আরাম লাগে,
কাঁথা মুড়ে ঘুমায় শহর, শীতের রাতি জাগে



















             আঁধার কথা বলে

বাঁশবাগানের পাতার ফাঁকে, সোনার রবি উঠিছে
তারই আলোয় ঝলমলিয়ে, বিশ্বভুবন হাসিছে
টেবিলে রাখা সংবাদপত্র, গরম চায়ের কাপ,
ঘড়ির কাঁটা ঘড়িতে বাঁধা, সময় যে চুপচাপ

পসরা মাথায় চলেছে সবাই, রবিবারের হাটে,
সাদা বলাকা উড়ায় পাখা, শূণ্য নির্জন মাঠে
ছায়া সুনিবিড়, প্রাচীন বট এক, গাঁয়ের সীমানায়,
তাহারি শাখায়, সুখে নীড় বাঁধি, পাখিরা গান গায়

চিল ফুকারে, আকাশ পারে, মাঠে মাঠে সোনা ধান,
মেঠো পথে একতারা হাতে, বেণী বাউল গায় গান
গরুর গাড়ি উড়ায় ধূলো, গাঁয়ের রাঙা মাটির পথে,
রাখাল বাজায় রাখালিয়া সুর, বাঁশি লয়ে নিজ হাতে

মাটির কুটিরে কাঠের ধোঁয়া, ঘুরে ফিরে পাড়াময়
দিনের শেষে সূর্য লুকায়, সাঁঝের আঁধার কথা কয়